Home Blog Page 3

যোগ্য শিক্ষকদের চাকরি বহাল নতুন নিয়োগ না হওয়া পর্যন্ত – সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ সরকারকে

যোগ্য শিক্ষকদের চাকরি বহাল নতুন নিয়োগ না হওয়া পর্যন্ত – সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ রাজ্য সরকারকে

যোগ্য শিক্ষকদের চাকরি বহাল নতুন নিয়োগ না হওয়া পর্যন্ত – সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ সরকারকে

নিজস্ব প্রতিনিধি নয়াদিল্লি: আগামী ৩১শে ডিসেম্বর পর্যন্ত নির্দোষ শিক্ষকদের চাকরি বহাল। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে প্রায় ২৬ হাজার শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী আজ চাকরিহারা পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের। তবে কিছুটা স্বস্তি পেল রাজ্য সরকার। আগামী ৩১শে ডিসেম্বর ২০২৫ এর মধ্যে নতুন নিয়োগের বিজ্ঞাপন জারি করতে হবে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সঞ্জীব খান্নার বেঞ্চ জানিয়েছেন বলে সংবাদ সূত্রে জানা যায়। নবম দশম, একাদশ দ্বাদশ-এর শিক্ষক, গ্রুপ সি ও গ্রুপ ডি এই চারটি ক্ষেত্রেই চলতি বছরের ৩১শে ডিসেম্বরের মধ্যে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করতে হবে গতকাল বৃহস্পতিবার (17.4.2025) এই নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট। গ্রুপ সি এবং গ্রুপ ডি অর্থাৎ শিক্ষা কর্মীদের বিষয়ে কোনো নির্দেশ জারি করা হয়নি।
সুপ্রিম কোর্টের এ নির্দেশে খুশি রাজ্য সরকার। পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকার কিছুটা স্বস্তি পেলেও সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্ট জানিয়ে দেন, চলতি বছরের ৩১ শে মে’র মধ্যে পর্ষদকে বিজ্ঞাপন প্রকাশ করতে হবে। সেই নির্দেশ না মানলে উপযুক্ত পদক্ষেপ নেওয়া হবে এবং জরিমানাও হতে পারে।

মূল মামলাকারী বঞ্চিত শিক্ষকদের পক্ষে এদিন ভার্চুয়াল মাধ্যমে এজলাসে হাজির ছিলেন সিপিএম সাংসদ তথা আইনজীবী বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য। সশরীরে উপস্থিত ছিলেন আইনজীবী বিক্রম বন্দ্যোপাধ্যায় এবং আইনজীবী ফেরদৌস শামীম। তারা সুপ্রিম কোর্টের এই নির্দেশের কোন বিরোধিতা করেন নি। সুপ্রিম কোর্টের এই বেঞ্চের শুনানি শেষে আইনজীবী বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্যবাবু বলেন সাময়িকভাবে এটা স্বস্তি নয়, এটা ব্যাপক অস্বস্তি। এখনও অযোগ্য চিহ্নিত হননি যারা, তাদেরও চাকরি ডিসেম্বরে চলে যাবে। অযোগ্যদের তালিকা প্রকাশ করতে হবে এই সরকারকে।

পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু জানান এই রায় কিছুটা হলেও আশাব্যঞ্জক। আগামী ২১ তারিখ যোগ্যদের তালিকা প্রকাশের কথা এসএসসির। এখন আন্দোলনকারীদের আন্দোলন স্তিমিত হওয়া উচিত। এদিকে রাজ্য সরকার অযোগ্যদের থেকে বেতন ফেরতের প্রক্রিয়া শুরু না করায় আদালত অবমাননার মামলা হয়েছে কলকাতা হাইকোর্টে।

সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দেয় – অযোগ্য হিসেবে চিহ্নিত নন এমন সহকারী শিক্ষকদের জন্যই পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদের আবেদন অনুমোদন করা হচ্ছে। নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণীর ছাত্র-ছাত্রীদের পড়াশোনায় যাতে কোন সমস্যা বা ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সে কথা মাথায় রেখেই গতকাল বৃহস্পতিবার এই নির্দেশ দিল দেশের সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রিম কোর্ট।

পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারের আইনজীবী কপিল সিব্বল বলেন, চলতি বছরের আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে নিয়োগ প্রক্রিয়া সেরে ফেলা হবে। যোগ্য শিক্ষকদের মধ্যে অবশ্য বলতে শোনা যায়, এ রায়ে রাজ সরকার স্বস্তি পেলেও, তাদের জন্য কোন স্বস্তি নয়। তারা এখনো রইলেন অন্ধকারে। তারা আপাতত কাজে যোগ দেবেন, কিন্তু নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়ায় তারা পরীক্ষায় বসবেন না। যতদিন না শীর্ষ আদালত থেকে তারা ন্যায় বিচার পাচ্ছেন ততদিন আন্দোলন চলবে।

Supreme Court Orders to West Bengal to Retain Qualified Teachers Job until New Appointment

Zakir Hussain Renowned Indian Tabla Player Dies in San Francisco

কিংবদন্তি ভারতীয় তবলা সঙ্গীতজ্ঞ ৭৩ বছর বয়সে মারা গেছেন

Zakir Hossain Renowned Tabla Player, Died at a Hospital in San Francisco

প্রখ্যাত ভারতীয় তবলা বাদক জাকির হোসেন সান ফ্রান্সিসকোর একটি হাসপাতালে মারা গেছেন

নিজস্ব সংবাদদাতা: বিশ্বের অন্যতম সেরা তবলা বাদক জাকির হোসেন (Zakir Hossain) 73 বছর বয়সে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সান ফ্রান্সিসকোর একটি হাসপাতালে মারা যান।

তিনি গত দুই সপ্তাহ ধরে হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন এবং তার অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে আইসিইউতে নেওয়া হয়েছিল। গতকাল রবিবার ১৫ই ডিসেম্বর মারা যান, তাঁর পরিবার এক বিবৃতিতে এই খবর জানিয়েছেন (১৬ই ডিসেম্বর ২০২৪)। জানা যায়, তিনি ইডিওপ্যাথিক পালমোনারি ফাইব্রোসিসের কারণে মারা গেছেন।

বিশিষ্ট তবলা বাদক জাকির হোসেন তাঁর কর্মজীবনে বহু পুরস্কার পেয়েছেন। বহু দেশ-বিদেশে তিনি তবলা বাজিয়েছেন। তিনি শুধু তবলা বাদক‌ই ছিলেন না তিনি একজন সুরকার, সংগীত প্রযোজক এবং অভিনেতাও ছিলেন। তিনি ১৯৫১ সালের ৯ মার্চ জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা আল্লা রাখা একজন বিখ্যাত তবলা মাদক ও বিশিষ্ট সংগীত শিল্পী ছিলেন।

তাঁর বর্ণাঢ্য কর্মজীবনের সময়, জাকির হোসেন সংগীতে তাঁর অবদানের জন্য অসংখ্য প্রশংসা অর্জন করেছিলেন। তিনি দেশ-বিদেশের বহু বিখ্যাত আন্তর্জাতিক ও ভারতীয় শিল্পীদের সাথে কাজ করেছিলেন। তিনি ১৯৮৮ সালে পদ্মশ্রী, ২০০২ সালের পদ্মভূষণ এবং ২০২৩ সালে ভারত সরকার কর্তৃক পদ্মবিভূষণ লাভ করেন।
তাছাড়াও তিনি ১৯৯০ সালে মর্যাদাপূর্ণ সংগীত নাটক একাডেমী পুরস্কার পান এবং ২০১৮ সালের ফেলোশিপও পেয়েছিলেন। তিনি মিকি হার্ট ও জিওভানি হিডালগোর সাথে তাঁর অ্যালবাম গ্লোবাল ড্রাম প্রজেক্ট এর জন্য ২০০৯ সালে একটি গ্র্যামি পুরস্কার জিতেছিলেন। তার কর্মজীবনে তিনি চারটি গ্র্যামি পুরস্কার পান।

সংগীতে তাঁর কৃতিত্ব ছাড়াও, তাঁর প্রভাব সাংস্কৃতিক কূটনীতিতে প্রসারিত হয়েছিল। তিনি 1999 সালে ইউনাইটেড স্টেটস ন্যাশনাল ইনভারমেন্ট ফর দা আর্টস দ্বারা ন্যাশনাল হেরিটেজ ফেলাসিপ পেয়েছিলেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ঐতিহ্যবাহী শিল্পীদের দেওয়া সর্বোচ্চ সম্মান পান।
জাকির হুসেন কত্থক নৃত্যশিল্পী এবং শিক্ষক আন্তোনিয়া মিনেকোলাকে বিয়ে করেছিলেন। তার দুটি কন্যা আছে। আনিশা কুরেশি এবং ইসাবেলা কুরেশি। আনিশা একজন চলচ্চিত্র নির্মাতা এবং ইসাবেলা নৃত্য অধ্যায়নরত।

জাকির হোসেনের মৃত্যু সংগীত জগতে একটি শূন্যতা তৈরি করল, এ বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই। এই শূন্যতা কখনোই পূরণ হওয়া সম্ভব নয়। তবলায় তাঁর উদ্ভাবনী শক্তি ও পদ্ধতি বিভিন্ন ধারায় তাঁর সহযোগিতা আগামী প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে।

Firhad Hakim Talk সংখ্যালঘুরা একদিন সংখ্য়াগুরু হয়ে যাবে

0

Firhad Hakim – সংখ্যালঘুরা একদিন সংখ্য়াগুরুর থেকেও বেশি সংখ্য়াগুরু হয়ে যাবে মন্তব্যে তীব্র সমালোচনা

Firhad Hakim Talks Majority of Muslim

ফিরহাদ হাকিম -সংখ্যালঘুরা একদিন সংখ্য়াগুরুর থেকেও বেশি সংখ্য়াগুরু হয়ে যাবে

নিজস্ব সংবাদদাতা কলকাতা: পশ্চিমবঙ্গের পুরমন্ত্রী তথা কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম সাহেব একটি অনুষ্ঠানে বলেন বলে দাবি করা হচ্ছে যে সংখ্যালঘুরা একদিন সংখ্যাগুরুর থেকেও বেশি সংখ্যাগুরু হয়ে যাবেন। এই বিতর্কিত মন্তব্য নিয়ে চারিদিকে শোরগোল শুরু হয়েছে। পরে তিনি এ বিষয়ে অবশ্য নিজেকে ধর্মনিরপেক্ষ ভারতীয় বলেই জানিয়েছেন।

তার এই বিতর্কিত মন্তব্য নিয়ে বিজেপির একাধিক নেতা তীব্র সমালোচনা করেছেন। বিজেপির বিশিষ্ট নেতা অমিত মালব্য (Amit Malviya) তীব্র সমালোচনা করে ভিডিও পোস্ট করেছেন। তাছাড়া তার দলের কিছু নেতাও সমালোচনা করছেন এই বিষয় নিয়ে।

ফিরহাদ হাকিম সাহেব একটি অনুষ্ঠানে কি বলেছেন? জা নিয়ে এত সমালোচনা হচ্ছেই বা কেন?

পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম উক্ত অনুষ্ঠানে যা বলেছিলেন বলে শোনা যায় – আমরা এমন একটা সম্প্রদায়ের লোক যে সম্প্রদায় বাংলায় তো আমরা ৩৩ শতাংশ কিন্তু ভারতবর্ষে মাত্র ১৭ শতাংশ। আর আমাদের সংখ্যালঘু সম্প্রদায় বলা হয়। কিন্তু আমরা নিজেদের সংখ্যালঘু হিসেবে বিবেচনা করি না, আমরা ভাবি যে আমাদের উপরে যদি আল্লাহের রহমত থাকে, তালিম যদি আমাদের পক্ষে থাকে, তাহলে একদিন আমরা মেজরিটি থেকেও মেজরিটি হয়ে যেতে পারি। আমরা যদি নিজেদের শক্তি দিয়ে এটা অর্জন করতে পারি তাহলে সেটা আল্লাহের কৃপা হবে।

ফিরহাদ হাকিম সাহেবের এই মন্তব্যকে ঘিরে বিজেপির অনেক নেতাই নানান কথা বলছেন। তীব্র সমালোচনা করছেন অনেকেই। ভরতপুরের তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন কবীর এ নিয়ে মুখ খুলেছেন। তিনি বলেন – ‘উনার বক্তব্য আমি শুনেছি’, এসব বলার আগে ভেবে চিন্তে বলা উচিত। উনি বলতে চেয়েছেন ‘বাংলায় মুসলিম সমাজের মানুষেরা সংখ্যালঘু নয়, সংখ্যাগরিষ্ঠতায় চলে আসবে’।

আমি পুরমন্ত্রীকে কোরান পড়তে বলবো। আল্লাহ গোটা বিশ্বকে সৃষ্টি করেছেন, উনি এক শব্দে বিশ্বকে যেমন সৃষ্টি করতে পারেন তেমনি এক শব্দে বিশ্বকে শেষ করতে পারেন। তিনি কোন সম্প্রদায়ের মানুষকে বেশি দিন বাঁচিয়ে রাখবেন, কোন সম্প্রদায়ের মানুষকে তাড়াতাড়ি উঠাবেন সেটা তিনিই জানেন। তাই হাকিম সাহেব কেন বলেছেন, সেটা তিনিই জানেন।

R G Kar কাণ্ডে নয়া মোড় – চিকিৎসক ধর্ষণ ও খুনের মামলায় গ্রেপ্তার আরও দুই

R G Kar Case নয়া মোড় চিকিৎসক ধর্ষণ ও খুনের মামলায় গ্রেপ্তার

RG Kar former Principal Sandeep Ghosh arrested by CBI

RG Kar কাণ্ডে চিকিৎসক ধর্ষণ ও খুনের মামলায় গ্রেপ্তার ওসি অভিজিৎ মণ্ডল ও প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ

নিজস্ব সংবাদদাতা – কলকাতা : আর জি কর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের (R G Kar Medical College and Hospital) প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ গ্রেপ্তার হলেন এবং টালা থানার ওসি অভিজিৎ মণ্ডল। আজ শনিবার রাতে সিবিআই (CBI) গ্রেপ্তার করেছে এই প্রাক্তন অধ্যক্ষ ও টালা থানার প্রাক্তন ওসি অভিজিৎ মণ্ডলকে আর জি কর হাসপাতালের তরুণী চিকিৎসক খুন ও ধর্ষণের মামলায়। পুর্বেই প্রাক্তন অধ্যক্ষকে গ্রেফতার করা হয় এই হাসপাতালের‌ই আর্থিক দুর্নীতি সংক্রান্ত মামলায়।

আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর, মঙ্গলবার আর জি কর কাণ্ডের পরবর্তী শুনানি সুপ্রিম কোর্টে। ঐ দিন তদন্তের স্ট্যাটাস রিপোর্ট পেশ করবে তদন্তকারী সংস্থা। শুনানির ৭২ ঘণ্টা আগেই আরজি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ ও টালা থানার ওসিকে গ্রেপ্তার করা হল। সূত্রের খবর, আরজি কর হাসপাতালের তরুণী চিকিৎসককে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনার প্রমাণ লোপাটের চেষ্টা, দেরিতে এফ আই আর দায়ের সহ একগুচ্ছ অভিযোগের ভিত্তিতে প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

গত ৯ আগস্ট আর জি কর হাসপাতালের চিকিৎসক ধর্ষণ ও খুনের ঘটনার পরেও প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষকে আর জি কর হাসপাতাল থেকে কলকাতার ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অধ্যক্ষ পদে বসানো হয়েছিল এবং সে কথা জানিয়েছিলেন স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পরবর্তীতে কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশে সন্দীপ ঘোষকে ছুটিতে পাঠিয়েছিল স্বাস্থ্য ভবন। আন্দোলনরত চিকিৎসকরা দাবি করেছিলেন, স্বাস্থ্য দপ্তরের পদ থেকেও প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষকে সরানো হোক। স্বাস্থ্য দপ্তরের সাসপেন্ড করার পাশাপাশি রাজ্য মেডিক্যাল কাউন্সিল থেকেও সরানো হয় সন্দীপ ঘোষকে। সরানো হয় মেডিক্যাল কাউন্সিলের প্যানেল ও এথিক্স কমিটি থেকেও।

টালা থানার ওসি অভিজিৎ মণ্ডল ও আরজি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ গ্রেফতারে বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী জানান আর জি কর হাসপাতালের চিকিৎসক খুনের ঘটনার তদন্তে খামতির পিছনে কলকাতা পুলিশের হাত, তাই তিনি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করেন।

আর জি কর হাসপাতালের চিকিৎসক ধর্ষণ ও খুনের ঘটনা মামলায় সন্দীপ ঘোষ ও অভিজিৎ মণ্ডল গ্রেফতার খবর চাউর হতেই, আন্দোলনকারী চিকিৎসকরা একে অপরকে আলিঙ্গন করে আবেগে কাঁদলেন।

R G Kar Ex-Principal সন্দীপ ঘোষ গ্রেপ্তার সিবিআই এর হাতে

আর জি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ গ্রেপ্তার সিবিআই এর হাতে

RG Kar ex-principal Sandeep Ghosh arrested by CBI

সন্দীপ ঘোষ গ্রেপ্তার CBI এর হাতে

নিজস্ব সংবাদদাতা – কলকাতা : আর জি কর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ গ্রেপ্তার হলেন। গত সোমবার রাত্রে সিবিআই গ্রেপ্তার করেছে এই প্রাক্তন অধ্যক্ষকে। তবে সাম্প্রতিক আরজিকর হাসপাতালের তরুণীর চিকিৎসক খুন ও ধর্ষণের মামলায় নয়। তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে এই হাসপাতালের‌ই বহু পুর্বের দুর্নীতি সংক্রান্ত মামলার। আজ মঙ্গলবার আলিপুর সিবিআই বিশেষ আদালতে পেশ করা হয় সন্দীপ ঘোষকে।

আর জি কর মেডিকেল কলেজ এন্ড হাসপাতালের (R G Kar Medical College and Hospital) সেমিনার কক্ষে গত ৯ আগস্ট এক তরুণী চিকিৎসকের দেহ উদ্ধার হয়। তদন্ত সাপেক্ষে অভিযোগ ওঠে খুন ও ধর্ষণের। এই বর্বরোচিত ঘটনার তদন্ত শুরু করে প্রথমে কলকাতা পুলিশ। পরবর্তীতে কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে এই তদন্তভার গ্রহণ করে সিবিআই। তদন্তের শুরুতেই CBI একনাগাড়ে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে তৎকালীন আরজি করের অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষকে।

পুলিশ এরই মধ্যে আর জি করের প্রাক্তন ডেপুটি সুপার আখতার আলীর অভিযোগের ভিত্তিতে দুর্নীতির তদন্ত শুরু করে। পরবর্তীতে কলকাতা হাইকোর্ট এই দুর্নীতি তদন্তের ভার তুলে দেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাকে।

CBI দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদের পর সন্দীপ ঘোষকে গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় নিজাম প্যালেস নিয়ে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের পর রাত্রি সাড়ে আটটা নাগাদ গ্রেফতার করে। গ্রেপ্তার সাথে সাথে আন্দোলনকারীদের মধ্যে খুশি ছড়িয়ে পড়ে। গত ২০২৩ সালে আর জি করের প্রাক্তন ডেপুটি সুপার আখতার আলী স্বাস্থ্য ভবনে এই সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ আনে। কিন্তু তার বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেয়নি রাজ্য সরকার। আর জি কর হাসপাতালে নানা বিষয়ের দুর্নীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে তিনি সোচ্চার হয়েছিলেন। এ বিষয়ে তিনি রাজ্যের বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগও করেছিলেন। কিন্তু তা এতদিন চাপা পড়েছিল।

আরজি করে চিকিৎসক খুনের ঘটনার পরেও প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষকে আরজি কর হাসপাতাল থেকে ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অধ্যক্ষ পদে বসানো হয়েছিল এবং সে কথা জানিয়েছিলেন স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজের ছাত্র ও ডাক্তাররা বিক্ষোভ করেন, ফলে তিনি সেখানে যোগদান করতে পারেননি। সাধারণ মানুষের মধ্যে প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ এর প্রতি ক্ষোভ আরোও বাড়তে থাকে। তার গ্রেফতারিতে সাধারণ মানুষ ও বিরোধীরাও খুশি। রাজ্যের বিজেপি দলের সভাপতি শ্রী সুকান্ত মজুমদার বলেন, এই গ্রেপ্তার বহু কাঙ্খিত। তিনি আশা করেছিলেন আর জি করের ডাক্তার খুনের মামলায় তিনি গ্রেপ্তার হবেন কিনা তবে দুর্নীতি মামলায় হবেন। আর হয়েছেন‌ও। বাংলার মানুষের কাঙ্খিত গ্রেফতারি।

সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মোঃ সেলিম বলেন, এটি কলকাতা পুলিশ আগেই করতে পারত। এবার মাথা কে খুঁজে বার করতে হবে। তাছাড়া তিনি আরোও বলেন পুলিশ কমিশনার বিনিত গোয়েলের ইস্তফার দাবি তুলে আন্দোলন করছেন ডাক্তারেরা, তাকেও হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের দাবি তুলেছেন।

প্রদেশ কংগ্রেসের মুখপাত্র সৌম্য আইচ রায় প্রশ্ন করেন – সন্দীপ ঘোষকে কারা প্রশ্রয় দিয়ে বছরের পর বছর লালন পালন করেছিল। দুর্নীতির ফাইল কেন চাপা পড়েছিল এতদিন এই প্রশ্নগুলো থাকবে।

R G Kar Ex-Principal Sandeep Ghosh Arrested by CBI

গোমাংস ভক্ষণকারী সন্দেহে হরিয়ানায় বাঙলার যুবককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ

হরিয়ানায় গোমাংস ভক্ষণকারী সন্দেহে বেঙ্গল অভিবাসীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ

Bengal Migrant allegedly beaten to death in Haryana on suspicion of eating Beef

গোমাংস ভক্ষণকারী সন্দেহে হরিয়ানায় বাঙলার যুবককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ

নিজস্ব সংবাদদাতা – দক্ষিণ ২৪ পরগনা: দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার বাসন্তীর এলাকার এক যুবককে গোমাংশ ভক্ষণের অপরাধে হরিয়ানায় গোরক্ষা কমিটির লোকজন তাকে পিটিয়ে মেরেছে বলে অভিযোগ, সংবাদসূত্রে জানা যায়। এলাকার বাসিন্দাদের সূত্রে জানা যায় বছর ২৩’র সাবির মল্লিক ও তার পাড়ার আরে’ক যুবক বছর তিনে’ক আগে ২৪ পরগনার বাসন্তী থেকে হরিয়ানায় বাড্ডা থানা এলাকায় কাজের সূত্রে সেখানে যায়। সেখানে ঠিকা শ্রমিক হিসাবে কাজ করতেন। সাবিরের নিকট আত্মীয় সুজাউদ্দিন সর্দার তার সঙ্গে থাকতেন।

সুজাউদ্দিন জানান – তারা যেখানে থাকতেন সেখানে গোমাংস খাওয়া নিষেধ ছিল। কিন্তু তাদের পাশাপাশি আসামের কিছু লোক ওখানে থাকতেন, তারা মাঝে মধ্যে গো মাংস খেতেন। গোরক্ষা কমিটির লোকজন গত (২৭.০৮.২০২৪) মঙ্গলবার সকালে সাবিরকে ঘর থেকে তুলে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ। আরোও জানা যায় সাবিরের সঙ্গে অসমের বাসিন্দা আসিরুদ্দিন নামে এক পরিযায়ী শ্রমিককেও তুলে নিয়ে যায়। পাশে একটি বাস স্ট্যান্ডের কাছে তাদেরকে মারধর করে। সেই সময় পথচারীরা বাধা দিলে তাদেরকে একটি মোটরসাইকেল করে অন্যত্র নিয়ে যাওয়া হয়।

সাবিরের শ্যালক সুজাউদ্দিন থানায় খবর দেন। পুলিশ খোঁজাখুঁজির পর সাবিরকে একটি খালের পাশে রক্তাক্ত অবস্থায় দেখতে পায়। পুলিশ তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন। ময়না তদন্তের পরে গত (৩০.০৮.২০২৪) শুক্রবার সাবিরের মৃতদেহ বাসন্তীর বল্লারটপ গ্রামের বাড়িতে আনা হয়।

Bengal Migrant Allegedly Beaten to Death in Haryana on Suspicion of Eating Beef

Kolkata High Court R G Kar হাসপাতালের সমস্ত অনিয়ম সংক্রান্ত ঘটনার তদন্তের দায়িত্ব সিবিআইকে দিল

Kolkata High Court R. G. Kar হাসপাতালের সমস্ত অনিয়ম সংক্রান্ত ঘটনার তদন্তের দায়িত্ব সিবিআইকে দিল।

Kolkata High Court task the CBI to investigate all incidents of irregularities at RG Kar

কলকাতা হাইকোর্ট আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের সমস্ত অনিয়ম সংক্রান্ত ঘটনার তদন্তের দায়িত্ব সিবিআইকে দিল।

নিজস্ব সংবাদদাতা – কলকাতা : কলকাতার আর জি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের (R. G. Kar Medical College and Hospital) প্রাক্তন ডেপুটি সুপারিনটেনডেন্ট আখতার আলীর করা মামলা সহ আর জি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের সমস্ত অনিয়ম সংক্রান্ত ঘটনার তদন্ত করার জন্য কলকাতা হাইকোর্ট (Kolkata High Court) সি বি আইকে দায়িত্ব দিয়েছে।
যেহেতু সি বি আই (CBI) ইতিমধ্যেই আর জি কর সংক্রান্ত মূল মামলা পরিচালনা করছে, তাই এই তদন্ত তাদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

কলকাতা হাইকোর্টের মাননীয় বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজ আজ শনিবার (২৪-০৮-২০২৪) সকাল ১০টার মধ্যে সিবিআইয়ের কাছে সমস্ত তদন্তের নথি হস্তান্তর করতে এসআইটিকে (SIT) নির্দেশ দিয়েছেন। সিবিআই তিন সপ্তাহের মধ্যে তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কে আদালতকে আপডেট করবে বলে আশা করা হচ্ছে,আর রিপোর্ট আগামী 17 সেপ্টেম্বরের মধ্যে। মহামান্য আদালত প্রয়োজনে আখতার আলিকে নিরাপত্তার জন্য সিবিআই-এর কাছে যাওয়ার পরামর্শও দিয়েছে।

পশ্চিমবঙ্গের উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীরা অনুত্তীর্ণ বিষয়ে পুনরায় পরীক্ষার সুযোগ

পশ্চিমবঙ্গের উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের অনুত্তীর্ণ বিষয়ে পুনরায় পরীক্ষার সুযোগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ

WB HS examinee opportunity to re-exam the failed subjects

উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীরা অনুত্তীর্ণ বিষয়ে পুনরায় পরীক্ষার সুযোগ

পশ্চিমবঙ্গের উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের মাননীয় সভাপতি শ্রী চিরঞ্জিব ভট্টাচার্য মহাশয় গত শুক্রবার (13-Jun-2024) জানান, এ বছর থেকে ঐচ্ছিক বিষয়ের সুবিধা নিয়ে উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করার পরেও কোন উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী চাইলে অনত্তীর্ণ বিষয়ে আবার উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা দিতে পারেন। এ বিষয়ে উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের সভাপতি তাদের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে একটি নোটিফিকেশন বা বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছেন। উক্ত নোটিফিকেশন বা বিজ্ঞপ্তির পিডিএফ ফাইল এই ওয়েব পেজের নিচে দেওয়া হল।

উচ্চ মাধ্যমিক কোন পরীক্ষার্থী বাংলা ও ইংরেজি বাদে মূল তিনটি বিষয়ের কোন একটিতে ফেল করলে এবং ঐচ্ছিক বিষয়ে পাশ করলে তার ঐচ্ছিক বিষয়টি মূল এবং মূল বিষয়টি ঐচ্ছিক হয়ে যায়। এভাবে পশ্চিমবঙ্গে দীর্ঘদিন যাবত পরীক্ষার্থীরা উচ্চ মাধ্যমিকে পাশ করার সুযোগ পেয়ে থাকেন। এভাবে পাশ করার ফলে পরীক্ষার্থীরা যে বিষয়ে ফেল করেছিলেন সে বিষয়ে পরীক্ষা দেওয়ার আর কোন সুযোগ থাকে না।

উচ্চ মাধ্যমিকের শিক্ষা সংসদের মাননীয় সভাপতি জানিয়েছেন এ বছর থেকে ঐচ্ছিক বিষয়ে সুবিধা নিয়ে পাশ করার পরেও কোন পরীক্ষার্থী চাইলে এই সুবিধা নাও নিতে পারেন, সে ক্ষেত্রে পরীক্ষার্থীকে নির্দিষ্ট দিনের মধ্যে তাদের মার্কশিট জমা দিয়ে দিতে হবে। এবং ফেল করা মূল বিষয়ে পরীক্ষা দেওয়ার জন্য পরের বছরের ফর্ম ফিলাপ করতে হবে।

আবার তিনি এও বলেন যে উক্ত পরীক্ষার্থী যদি মনে করেন সমস্ত বিষয়ে আবার তিনি পুনরায় পরীক্ষা দিবেন তারও সুযোগ থাকছে। পরীক্ষার্থীরা সমস্ত বিষয়ে পুনরায় পরীক্ষা নিতে হলে ৩১ শে জুলাই এর মধ্যে তাদের মার্কশিট জমা দিয়ে দিতে হবে।

পর্ষদ সভাপতি জানান এক্ষেত্রে ছাত্র-ছাত্রীরা স্নাতক স্তরে বিভিন্ন শাখায় তাদের নিজের পছন্দের বিষয় নিয়ে পড়ার সুযোগ পেতে পারেন। তিনি উদাহরণ দিয়ে বলেন – কোন পরীক্ষার্থী স্নাতক স্তরে পদার্থবিদ্যা নিয়ে পড়তে চান কিন্তু কোন কারণে উচ্চমাধ্যমিকে অন্যতম মূল বিষয় পদার্থবিদ্যাতে তিনি ফেল করেছেন অথচ ঐচ্ছিক বিষয়ে পাশ করায় সেটি তার মূল বিষয় হয়ে যায়। এবং সে উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করে যাবে কিন্তু পদার্থবিদ্যা বিষয় নিয়ে ভবিষ্যতে তার আর পড়ার সুযোগ থাকবে না। যেহেতু ঐচ্ছিক বিষয় তার অন্য বিষয় থাকায় সেই বিষয়ে পাশ করেছেন, কিন্তু পদার্থবিদ্যাতে তিনি ফেল করেছেন।

তাছাড়াও যারা উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করার পরে ডাক্তারি বা ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ার চিন্তা-ভাবনা করছেন, তাদের ক্ষেত্রেও এটি বিশাল সুযোগ হতে পারে। মূল বিষয় হিসেবে বায়োলজি থাকলেও পরীক্ষার্থীর সে বিষয়ে ফেল করেছেন। কিন্তু ঐচ্ছিক বিষয়ের সুবাদে তিনি পাস করেছেন সে ক্ষেত্রে তিনি ডাক্তারি পড়তে পারবেন না। আগামী দিনে এই অসুবিধা দূর করার জন্যই উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের এই সুযোগ দেওয়া হচ্ছে।

WB HS Examinee Opportunity to Re-exam the Failed Subjects.

 

Uttar Dinajpur – জেলা যুব কংগ্রেসের অভিনব বিক্ষোভ

উত্তর দিনাজপুর জেলা যুব কংগ্রেসের অভিনব বিক্ষোভ দুর্নীতির প্রতিবাদে

Uttar Dinajpur District Youth Congress Protest Program Against Various Corruption

রাজ্যে দুর্নীতির প্রতিবাদে জেলা যুব কংগ্রেসের অভিনব বিক্ষোভ

নিজস্ব সংবাদদাতা – রায়গঞ্জ : উত্তর দিনাজপুর জেলা যুব কংগ্রেসের উদ্যোগে রায়গঞ্জ শহরের উপকণ্ঠে বিদ্রোহী মোড়ে বিভিন্ন দুর্নীতিতে জর্জরিত সরকারের পদত্যাগের দাবিতে আজকে এক অভিনব বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করল।

উত্তর দিনাজপুর জেলার একমাত্র রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ে অনৈতিকভাবে নিয়োগ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের পদোন্নতির নানা অভিযোগ এবং সেই সঙ্গে সারা রাজ্য জুড়ে মাধ্যমিক ও প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতির অভিযোগে এক অভিনব বিক্ষোভ প্রদর্শন উত্তর দিনাজপুর জেলা যুব কংগ্রেস কমিটির।

উত্তর দিনাজপুর জেলা যুব কংগ্রেসের সভাপতি শ্রী তুষার গুহ ও রায়গঞ্জ শহর যুব কংগ্রেস সভাপতি নেতৃত্বে আজকের এই বিক্ষোভ সভা সংঘটিত হয়।

রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন দুর্নীতির প্রসঙ্গে:

রায়গঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন দুর্নীতির প্রসঙ্গে উত্তর দিনাজপুর জেলা কংগ্রেস সভাপতি ও রায়গঞ্জের প্রাক্তন বিধায়ক মাননীয় শ্রী মোহিত সেনগুপ্ত মহাশয় বারবার সরব হয়েছেন। জেলা দপ্তরেও ডেপুটেশন দিয়েছেন, এমনকি বিধানসভাতেও তিনি সরব হয়েছিলেন।
শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি সারা রাজ্য জুড়েই হয়েছে বলে মনে করেন। ইতিমধ্যেই প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চ্যাটার্জী এখন ইডি আধিকারিকদের হেফাজতে। ইডি আধিকারিকরা দাবি করছেন শিক্ষক দুর্নীতি ও আর্থিক কেলেঙ্কারির।

বাংলার যুবক যুবতীদের ও আগামী প্রজন্মকে কি আন্দোলনের এক নতুন দিশা দেখাবে?

তিনি বলেন, জেলায় বহু যুবক যুবতীকে শিক্ষক পদে নিয়োগের প্রতিশ্রুতি ও নিয়োগের বিনিময়ের লক্ষ লক্ষ টাকা তাদের দালালদের হাত হয়ে পার্থর কাছে পৌঁছেছে। তাই উত্তর দিনাজপুর জেলা যুব কংগ্রেসের আজ দুর্নীতিগ্রস্ত তৃণমূল সরকারের পদত্যাগের দাবিতে মহাত্মা গান্ধী মূর্তির পাদদেশে যে অভিনব শান্তিপূর্ণ অর্ধনগ্ন বিক্ষোভ, তা বাংলার যুবক যুবতীদের ও আগামী প্রজন্মকে আন্দোলনের এক নতুন দিশা দেখাবে।

মাননীয় যুব জেলা সভাপতি তুষার গুহ বলেন, রাজ্যজুড়ে শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের অনৈতিকভাবে পদোন্নতির পিছনে লক্ষ লক্ষ টাকা আর্থিক লেনদেন বলে মনে হচ্ছে বলে তিনি সন্দেহ প্রকাশ করেন। আসল কথা হল পার্থ বাবু শিক্ষামন্ত্রী ও অনিল বাবু উপাচার্য থাকাকালীন শিক্ষক নিয়োগের বিনিময়ে টাকা তোলার অভ্যেস বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ভুলতে পারছেন না।

তিনি আরোও বলেন, রাজ্যজুড়ে বেআইনি নিয়োগ ও পার্থ চ্যাটার্জীর গবেষণায় সহযোগিতা করার পুরস্কার হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্তৃত্বে বসা উভয় আধিকারিকের পদত্যাগের দাবিতে যুব কংগ্রেস লাগাতার আন্দোলন চালিয়ে যাবে।

আরও খবর – পদত্যাগের দাবিতে কলেজ স্ট্রিটে ছাত্র

Uttar Dinajpur District Youth Congress Protest Program Against Various Corruption in the State.

ED Arrested Partha Chatterjee in SSC Scam – হঠাৎ বড়লোক অর্পিতার মামারাও

Arpita-Partha Chatterjee: পার্থ-যোগে হঠাৎ বড়লোক অর্পিতার মামারাও – ভাইয়ের চাকরি!

Partha Chatterjee Arrested by ED for SSC Scam Caseপার্থ-যোগে হঠাৎ বড়লোক অর্পিতার মামারাও – ভাইয়েরও চাকরি!

নিজস্ব সংবাদদাতা – কলকাতা : পার্থ ঘনিষ্ঠ অর্পিতার আরো নতুন নতুন তথ্য আসতে শুরু করেছে। আবারও নতুন করে পার্থযোগ দেখা দিল হুগলিতেও। জাঙ্গিপাড়ায় পার্থ ঘনিষ্ঠ অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের মামাদের নতুন বাড়ি তৈরি করে দেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। গ্রামবাসীরা বলেন, একটি নয় দুটি বাড়ি তৈরি করে দেন মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। এবার সামনে এলো সেই চাঞ্চল্যকর তথ্য। শুধু বাড়ি তৈরি করে দেওয়া নয় অর্পিতা-পার্থ যোগে তাঁর আত্মীয়দের চাকরি হয় বলেও অভিযোগে সরব হয়েছেন গ্রামবাসীরা।

অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের ফ্লাট থেকে কোটি কোটি টাকা উদ্ধারের পরেই তাকে গ্রেফতার করেছে ইডি (Enforcement Directorate) আর তারপরেই সামনে এসেছে এই নানান ঘটনার কথা। তার বিপুল পরিমাণ সম্পত্তির হদিশ পেতে ইডিআধিকারিকরা তদন্ত চালাচ্ছেন। এদিকে জানা যায়, মামাবাড়ির সবাই বাড়িতে তালা দিয়ে চলে গেছে।

পার্থ-যোগে হঠাৎ বড়লোক অর্পিতার মামারাও – ভাইয়ের চাকরি!

হুগলির দিলকাশ গ্রাম পঞ্চায়েতের মথুরাবাটি গ্রামে অর্পিতার মামার বাড়ি। এক মামা তপন চক্রবর্তী একদম সাধারণ নিম্নবিত্তের মানুষ বলেই পরিচিত। কিন্তু কিছুদিনের মধ্যেই তার অবস্থা আচমকায় বদলে যায়। গ্রামবাসীরা অথবা হয়ে যায়। কিন্তু কেউ কিছু বলতে পারেন না যেহেতু ভেতরের ব্যাপার কেমন করে হঠাৎ করে বড়লোক হয়ে গেল গ্রামবাসীরা এই নিয়ে কানাঘুষো করতে থাকে। তাদের একটি পুরাতন বাড়ি ছিল সেটি কেউ ঘষেমেজে একেবারে চকচকা করা হয়েছে নতুন করে। একসময় অর্পিতার মামাদের দারিদ্র্যের ছাপ ছিল সেটা গ্রামবাসী জানান। এখন সেখানে বাড়ি গাড়ি থেকে শুরু করে আরো অন্যান্য আধুনিক সুযোগ সুবিধা বর্তমান।

গ্রামবাসীরা আরো জানান যে জাঙ্গিপাড়ায় মথুরাবাটি গ্রামে অর্পিতার মামাবাড়িতে মাঝেমধ্যেই অর্পিতাকে নিয়ে আসতেন মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। নতুন বাড়ি তৈরি করে দেন পার্থ বাবুই ,পাশে আরোও একটি বাড়ি তৈরি করে দেন। গ্রামবাসীরা তীব্র ক্ষোভের সঙ্গে বলেন, বাড়ি তৈরির জন্য জোর করে তাদের জমি দখল করে নেওয়া হয়। তারা প্রভাবশালী নেতা-মন্ত্রী বলে কেউ সাহস পেতেন না তাদের উপরে কথা বলার। তারপরে তারা দেখলেন একদিন হঠাৎ করেই অর্পিতার মামাতো ভাই কুন্তল চক্রবর্তী চাকরি পেয়ে যান, অথচ পড়াশোনায় তেমন ভালো ছিলেন না।

মথুরাবাটিতে অর্পিতার মামাবাড়ির সামনে পুকুরে মাছ ধরতেন মন্ত্রী

গ্রামবাসীদের থেকে জানা যায়, মথুরাবাটিতে অর্পিতার মামাবাড়ির সামনে পুকুর রয়েছে। তাদের দাবি সেই পুকুরে ছিপ ফেলে পার্থ বাবুকে মাছ ধরতেও দেখেছন। অর্পিতার মামার বাড়িতে দুর্গাপূজা হয়, সেই পুজোতেও সেই মন্ত্রী অর্পিতাকে সঙ্গে করে নিয়ে এসেছেন। এবং বেশ কিছুক্ষণ সময় কাটিয়ে যেতেন। অর্পিতার মামাবাড়ি চত্তরে তখন পুলিশে পুলিশে ছয়লাপ হয়ে যেত। গ্রামবাসীরা তাদের ধারে-পাশে আসতে ভয় ও সংকোচ করতেন।

আরোও পড়ুন – পার্থ চট্টোপাধ্যায় ঘনিষ্ঠ অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের বাড়িতে এত টাকা কিভাবে এলো?

তবে এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তে অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের ডায়মন্ড সিটির ফ্লাট থেকে উদ্ধার হয়েছে প্রায় 21 কোটি 90 লক্ষ টাকা এবং ৫৮ লক্ষ টাকার গয়না, ৫৪ লক্ষ টাকার বৈদেশিক মুদ্রা সহ মোবাইল আরও অন্যান্য নথিপত্র। এত টাকা কোথা থেকে এল? এর সঠিক সদুত্তর দিতে পারেনি বলে ইডি অর্পিতাকে গ্রেপ্তার করায় গ্রামের মানুষেরা এখন মুখ খুলছেন।